২০১৮ সাল থেকে আমরা বাংলাদেশের লক্ষাধিক ব্যবহারকারীর কাছে নিরাপদ, স্বচ্ছ ও উত্তেজনাপূর্ণ গেমিং অভিজ্ঞতা নিয়ে আসছি। ko9 শুধু একটি প্ল্যাটফর্ম নয় — এটা একটা কমিউনিটি।
ko9 প্রতিষ্ঠার পেছনে ছিল একটাই স্বপ্ন — বাংলাদেশের মানুষের জন্য বিশ্বমানের গেমিং অভিজ্ঞতা তৈরি করা
বাংলাদেশের প্রতিটি কোণায় নিরাপদ ও দায়িত্বশীল অনলাইন বেটিং সেবা পৌঁছে দেওয়া। আমরা চাই প্রতিটি ব্যবহারকারী ko9-কে বিশ্বাস করতে পারুক — শুধু প্ল্যাটফর্ম হিসেবে নয়, একজন বিশ্বস্ত সঙ্গী হিসেবেও।
দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বিশ্বস্ত ও প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত বেটিং প্ল্যাটফর্ম হওয়া। ko9 চায় প্রতিটি বেটিং অভিজ্ঞতা হোক স্বচ্ছ , নিরাপদ এবং আনন্দময়।
ko9 সবসময় ব্যবহারকারীর স্বার্থকে প্রথমে রাখে। দায়িত্বশীল গেমিং, ন্যায্য অডস এবং দ্রুত পেআউট — এই তিনটি বিষয়ে আমরা কখনো আপোস করি না।
ko9-এর যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০১৮ সালে, একটা ছোট্ট কিন্তু উচ্চাভিলাষী দলের হাত ধরে। সেই সময় বাংলাদেশে অনলাইন বেটিং মানেই ছিল জটিল ইন্টারফেস, ধীর পেমেন্ট সিস্টেম আর বাংলায় কোনো সাপোর্ট নেই। ko9-এর প্রতিষ্ঠাতারা ভাবলেন — এই সমস্যাগুলো সমাধান করা যায়, এবং করতে হবে।
শুরুতে মাত্র কয়েকটি স্পোর্টস ক্যাটাগরি নিয়ে ko9 চালু হয়। প্রথম মাসেই হাজার হাজার বাংলাদেশি ব্যবহারকারী সাইন আপ করেন। কারণটা সহজ — ko9 বাংলায় কথা বলত, bKash-এ টাকা নিত, এবং জেতার পর দ্রুত পেআউট দিত। মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়ে ko9-এর নাম।
২০২০ সালে ko9 তার প্রথম মোবাইল অ্যাপ লঞ্চ করে। অ্যাপটি Android ও iOS দুটোতেই পাওয়া যায়, এবং মাত্র কয়েক মাসের মধ্যে ১০ লাখেরও বেশি ডাউনলোড হয়। স্মার্টফোনে লাইভ বেটিং করার সুবিধা বাংলাদেশের তরুণ ব্যবহারকারীদের কাছে ko9-কে রাতারাতি জনপ্রিয় করে তোলে।
ko9-এর সাফল্যের পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ হলো আমাদের টেকনোলজি টিম। প্ল্যাটফর্মের প্রতিটি অংশ — অডস ইঞ্জিন থেকে পেমেন্ট গেটওয়ে পর্যন্ত — নিজেদের হাতে তৈরি করা। বাইরে থেকে কোনো থার্ড-পার্টি সিস্টেমের উপর নির্ভর না করায় আমরা দ্রুত আপডেট আনতে পারি এবং যেকোনো সমস্যা মিনিটের মধ্যে সমাধান করতে পারি।
আজ ko9-এ ৫০ লক্ষেরও বেশি নিবন্ধিত সদস্য আছেন। ক্রিকেট, ফুটবল, কাবাডি, টেনিস, ই-স্পোর্টস সহ ২০টিরও বেশি স্পোর্টস ক্যাটাগরিতে প্রতিদিন হাজার হাজার বেটিং মার্কেট অফার করা হয়। ko9 এখন শুধু বাংলাদেশেই নয়, পুরো দক্ষিণ এশিয়ায় একটি পরিচিত নাম।
ko9-এর দলে এখন ৫০০ জনেরও বেশি কর্মী আছেন — ডেভেলপার, ডিজাইনার, ডেটা অ্যানালিস্ট, কাস্টমার সাপোর্ট এক্সিকিউটিভ এবং কমপ্লায়েন্স অফিসার। প্রতিটি বিভাগ নিজের কাজে সর্বোচ্চ দক্ষতার সাথে কাজ করে। বিশেষত আমাদের কাস্টমার সাপোর্ট টিম বাংলায় কথা বলে, যা বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের কাছে ko9-এর সবচেয়ে পছন্দের দিকগুলোর একটি।
দায়িত্বশীল গেমিং নিয়ে ko9 অত্যন্ত সচেতন। আমরা বিশ্বাস করি, বেটিং হওয়া উচিত আনন্দের উৎস — জীবিকার উপায় নয়। তাই আমাদের প্ল্যাটফর্মে ডিপোজিট লিমিট সেট করার সুবিধা আছে, সেলফ-এক্সক্লুশনের অপশন আছে, এবং ১৮ বছরের কম বয়সীদের অ্যাকাউন্ট খোলা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। ko9 সবসময় ১৮+ ব্যবহারকারীদের জন্য।
ভবিষ্যতে ko9 আরও নতুন ফিচার নিয়ে আসছে — ভার্চুয়াল স্পোর্টস, উন্নত ক্যাসিনো সেকশন এবং বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য বিশেষ লাইভ স্ট্রিমিং সুবিধা। ko9-এর সাথে থাকুন — প্রতিটি মুহূর্ত আরও ভালো হচ্ছে।
অন্য যেকোনো প্ল্যাটফর্ম থেকে ko9-কে আলাদা করে যে বৈশিষ্ট্যগুলো
ko9 আন্তর্জাতিক গেমিং কমিশনের লাইসেন্সপ্রাপ্ত। সমস্ত ডেটা SSL এনক্রিপশনে সুরক্ষিত। আপনার অ্যাকাউন্ট ও অর্থ সম্পূর্ণ নিরাপদ — কোনো তৃতীয় পক্ষের অ্যাক্সেস নেই।
ko9-এর ইন্টারফেস, সাপোর্ট এবং প্রোমোশনাল কমিউনিকেশন সবকিছু বাংলায়। লাইভ চ্যাটে বাংলায় কথা বলুন, বাংলায় উত্তর পান — কোনো ভাষার বাধা নেই।
ko9-এর অডস ইঞ্জিন বাজারের সেরা রেট নিশ্চিত করে। ক্রিকেট থেকে ফুটবল, কাবাডি থেকে ই-স্পোর্টস — প্রতিটি মার্কেটে আমরা শিল্পের সবচেয়ে প্রতিযোগিতামূলক অডস দিই।
ম্যাচ শেষ হলে জেতার টাকা সাথে সাথে আপনার ko9 ওয়ালেটে আসে। bKash বা Nagad-এ উইথড্র করলে মাত্র ১৫ থেকে ৩০ মিনিটের মধ্যে টাকা হাতে পৌঁছায়।
নতুন সদস্যদের জন্য ওয়েলকাম বোনাস, নিয়মিত বেটারদের জন্য সাপ্তাহিক ক্যাশব্যাক, বিগ ম্যাচে ডবল অডস — ko9-এ বোনাসের সুযোগ সারাবছর থাকে।
রাত বা দিন, বড় ম্যাচের আগে বা পরে — ko9-এর সাপোর্ট টিম সবসময় প্রস্তুত। লাইভ চ্যাট, ইমেইল ও হোয়াটসঅ্যাপে বাংলায় সহায়তা পাওয়া যায়।
ko9-এর প্রতিটি সিদ্ধান্তের পেছনে থাকে কিছু মূল নীতি। এই নীতিগুলো আমাদের কাজের ভিত্তি এবং ব্যবহারকারীর সাথে আমাদের সম্পর্কের মূল চালিকাশক্তি।
ko9 বিশ্বাস করে প্রতিটি ব্যবহারকারী সমান সুযোগ পাওয়ার যোগ্য। বড় বেটার হোন বা ছোট — ko9-এর কাছে সবাই সমান গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের অডস অ্যালগরিদম কোনো বৈষম্য করে না এবং কোনো অ্যাকাউন্টকে অন্যায়ভাবে সীমাবদ্ধ করা হয় না।
ko9-এর পেছনে আছেন একদল অভিজ্ঞ ও নিবেদিতপ্রাণ পেশাদার, যারা বাংলাদেশের গেমিং শিল্পকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখেন
১৫ বছরের ফিনটেক ও গেমিং অভিজ্ঞতাসম্পন্ন। ko9-এর দৃষ্টিভঙ্গি ও কৌশল নির্ধারণে মূল ভূমিকা রাখেন।
ko9-এর পুরো টেকনোলজি স্ট্যাক তার তত্ত্বাবধানে। রিয়েল-টাইম অডস ইঞ্জিন তারই নকশা।
ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা উন্নত করতে প্রতিনিয়ত কাজ করেন। ko9 অ্যাপের ডিজাইন তার হাতেই তৈরি।
ko9-এর সমস্ত নিয়মকানুন মেনে চলা নিশ্চিত করেন। দায়িত্বশীল গেমিং প্রোগ্রামের নেতৃত্ব দেন।